Tuesday, 31 January 2012

হূতিকের অগ্নিপরীক্ষা

  • অগ্নিপরীক্ষা ছবিতে প্রিয়াঙ্কা চোপড়া ও হূতিক রোশন অগ্নিপরীক্ষা ছবিতে প্রিয়াঙ্কা চোপড়া ও হূতিক রোশন
  • সঞ্জয় দত্ত সঞ্জয় দত্ত
অভিষেক বচ্চন বরাবরই বলে এসেছেন, বাবা অমিতাভ বচ্চন অভিনীত সব ছবির মধ্যে অগ্নিপথ তাঁর সবচেয়ে প্রিয় ছবি। সুযোগ পেলে বিজয় দীননাথ চৌহান চরিত্রে চেষ্টার শেষ বিন্দু দিয়ে কাজ করবেন বচ্চন জুনিয়র। কিন্তু ভাগ্যের লিখন, না যায় খণ্ডন! অভিষেকের বাল্যবন্ধু হূতিক রোশন যেখানে বরাবর পত্রিকা মারফত জানিয়েছিলেন, পুরোনো কোনো ক্ল্যাসিক ছবির রিমেকে তাঁর অরুচি; সেখানে প্রযোজক করন জোহর অভিষেক নয়, হূতিকের কাছেই ছুটে গিয়েছিলেন অগ্নিপথ রিমেকের প্রস্তাব নিয়ে। ভারত থেকে সুদূর স্পেন পর্যন্ত করন গিয়েছিলেন হূতিককে ছবির গল্প শোনাতে। কিন্তু হূতিক তো ’৯০ সালেই অমিতাভ বচ্চনের এ ছবিটি পরপর দুই শোতে মন্ত্রমুগ্ধের মতো গিলেছিলেন। তাঁর গল্প শোনার প্রয়োজন কী? মনে মনে করনকে ‘না’ বলার সম্পূর্ণ প্রস্তুতি নিয়ে ফেলেছিলেন হূতিক। কষ্ট পাচ্ছিলেন বেচারা করন। এত দূর ভ্রমণ করেছেন শুধু তাঁকে রাজি করানোর জন্য। হূতিক বুঝতে পারেন, ছবির প্লট এক হলেও অমিতাভ বচ্চনের বিজয় দীননাথ চৌহান আর নতুন বিজয় দীননাথ চৌহান সম্পূর্ণ ভিন্ন দুটি চরিত্র। এরপর হূতিক শুধু ছবিটি করতে রাজিই হননি, পারিশ্রমিকও এক ধাপে কমিয়ে ফেলেন। প্রযোজক করন জোহরের বাবা প্রয়াত যশ জোহর চেয়েছিলেন করন কোনো একদিন তাঁর এ প্রিয় ছবিটি রিমেক করুক। সেই ভালোবাসা, শ্রদ্ধা থেকেই হূতিক তাঁর পারিশ্রমিক ছাড় দিয়েছেন। অনেকেই জানেন না, অমিতাভ বচ্চন তাঁর বর্ণাঢ্য অভিনয় জীবনে মাত্র তিনবার সেরা অভিনেতার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছেন; যার প্রথম পুরস্কারটি ছিল ’৯০-এ মুক্তি পাওয়া অগ্নিপথ-এর জন্য। বিভিন্ন সময় দর্শকধন্য হলেও বক্স অফিসে কিন্তু সে সময় ছবিটি মুখ থুবড়ে পড়ে ছিল। অগ্নিপথ-ব্র্যান্ডের পাগল ভক্ত করন জোহরের সহকারী করন মালহোত্রাকে পরিচালকের চেয়ারে বসিয়েছেন করন জোহর। অমিতাভ বচ্চনকে ছাড়িয়ে যাওয়া সম্ভব নয়। তাই হূতিকের বিজয় দীননাথকে নতুন ঢঙে উপস্থাপন করেছেন করন। মিঠুন চক্রবর্তীর চরিত্র বাদ দিয়ে নতুন একটি চরিত্র ঋষি কাপুরকে অন্তর্ভুক্ত করেছেন।
অগ্নিপথ-এর ট্রেলার মুক্তির পর ইউটিউবে এত হিট পড়েছে, যা সম্প্রতি অন্য কোনো ছবির ক্ষেত্রে দেখা যায়নি। হূতিক রোশন তো বটেই, তবে সবাইকে ছাপিয়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হচ্ছেন ‘কাঞ্চা’ সঞ্জয় দত্ত। হূতিক নিজেই বলেন, ‘শুটিং করতে গিয়ে আমি নিজেই সঞ্জু স্যারকে দেখে ভয় পেয়েছি।’ পরিচালক করন মালহোত্রা কাঞ্চাকে দেখতে চেয়েছেন ন্যাড়া মাথার ভ্রুহীন একজন ভয়ংকর মানুষ হিসেবে। কিন্তু সঞ্জয় অন্য ছবির শুটিং থাকায় ন্যাড়া হতে রাজি হননি। বাধ্য হয়েই প্রযোজক করন জোহর এলএ থেকে নকল টাক এনে শুটিং শুরু করেন। কিন্তু অজপাড়াগাঁয়ে শুটিংয়ের সময় অতিরিক্ত গরমে সঞ্জয়ের টাক গলে পড়তে থাকে। বাধ্য হয়েই তৎক্ষণাৎ সঞ্জুবাবা সিদ্ধান্ত নেন, অন্য ছবিগুলোর শুটিং পিছিয়ে দেবেন। মুহূর্তেই মাথা কামিয়ে নতুন রূপে হাজির হন তিনি। হূতিক বলেন, গব্বর সিং, মোগাম্বোর পাশাপাশি আরও একটি নাম যুক্ত হতে যাচ্ছে—কাঞ্চা। এ ছবির জন্য সঞ্জু স্যারের পুরস্কার সুনিশ্চিত।’
এক যুগ আগে কহো না পেয়ার হ্যায় মুক্তির আগেই মিশন কাশ্মীর ছবিতে সঞ্জয়ের ছেলের চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন হূতিক। তখন থেকেই সঞ্জুবাবাকে ‘স্যার’ সম্বোধন করেন ডুগ্গু ওরফে হূতিক। তিনি বলেন, ‘রিয়েলিটি শো জাস্ট ড্যান্সের শুটিং শেষ করে গ্রামে গিয়ে ব্যায়াম করার জন্য অত সময় পেতাম না। সঞ্জু স্যারই আমার দুরবস্থা চিন্তা করে সেখানে জিম তৈরি করে দেন। তাঁর নিজের বাবুর্চিদের দিয়ে আমার জন্য স্পেশাল খাবার অর্ডার করেছেন প্রতিদিন। যখন ক্লান্ত হয়ে যেতাম, তখন তাঁকে দেখেই অনুপ্রেরণা পেতাম, পঞ্চাশোর্ধ্ব বয়সেও তাঁর সে কী উদ্যম! অগ্নিপথ-এর ক্লাইমেক্স দৃশ্য ছিল আমার ক্যারিয়ারের সবচেয়ে কঠিনতম দৃশ্য। শরীরের সব কাপড় ছেঁড়া, সারা শরীরে রক্ত, প্রতিদিনই আঘাত পেয়েছি। রক্ত ঝরেছে। এভাবে টানা ২২ দিনে ক্লাইমেক্সের কাজ শেষ করেছি। তবে সঞ্জু স্যার না থাকলে কাজটা আরও কষ্টসাধ্য হতে পারত।’
অগ্নিপথ কোনো প্রেমের গল্প নয়। তবে ছবির নায়িকা প্রিয়াঙ্কা চোপড়াকে হূতিকের প্রাণশক্তি হিসেবে দেখানো হয়েছে। হূতিকের ভাষায়, ‘প্রিয়াঙ্কার “কালী” চরিত্রটি বেশ ছোট। তবে এ চরিত্রেই প্রিয়াঙ্কা সবাইকে কাঁদিয়ে ছাড়বে। আর ক্যাটরিনা কাইফ? ছবির আইটেম গান চিকনি চামেলি তো বাম্পার হিট!’ হূতিক বলেন, ‘অনেকেই বলেছিলেন ক্যাটরিনার সঙ্গে আমারও নাচ করা উচিত। আমিও তা-ই ভেবেছিলাম। কিন্তু মহড়ায় ক্যাটের মুদ্রা দেখে আমি অপলক চেয়ে ছিলাম। বলা যায়, ভয় পেয়েছিলাম। সত্যি বলছি, মাধুরী, অ্যাশ এর পর এই প্রথম কোনো নায়িকাকে দেখে মনে হয়েছে আমি নাচতে পারি না। করন জোহর জানান, ‘চিকনি চামেলি’ সংগীত পরিচালক অজয়-অতুলের মারাঠি ছবি যাত্রার ‘কোম্বাডি পালেলি’ গানের হিন্দি সংস্করণ। ক্যাটরিনা এ গানের জন্য ১০ দিনে টানা আট ঘণ্টা করে মহড়া করেছেন। এরপর ১০ দিনে শুটিং করেছেন। অথচ করনের কাছ থেকে একটি কানাকড়িও নেননি পারিশ্রমিক হিসেবে। করনকে ভালোবেসেই ক্যাট এ ছবিতে কাজ করেছেন। করনও তাঁর প্রতিদান দিয়েছেন ক্যাটকে একটি ফেরারি উপহার দিয়ে।
ভারতের প্রজাতন্ত্র দিবস উপলক্ষে আজ মুক্তি পাচ্ছে বহুল প্রতীক্ষিত এ ছবিটি। সবার চোখ এখন অগ্নিপথ-এর দিকে। শুধু সুপারহিট তকমা নয়, অগ্নিপথ হূতিক-করন জোহরকে প্রথমবারের মতো ১০০ কোটির ছবি এনে দেবে—ভবিষ্যদ্বাণী করতে বসেছেন অনেকেই।
[টাইমস অব ইন্ডিয়া, রেডিফ, আইএএনএস, ডিএনএ ইন্ডিয়া, এনডিটিভি, মুম্বাই মিরর, আইবিএন, বলিউড হাঙ্গামা ডট কম অবলম্বনে]
 রুম্মান রশীদ খান
[বলিউড হাঙ্গামা, আইএমডিবি, রেডিফ, আইবিএন লাইভ, ইন্ডিসিনে অবলম্বনে]

বিজয়রথে 'অগি্নপথ'

ফয়সাল আহমেদ
ঠিক এক যুগ পর ঋতি্বক রোশন আবার টপকে গেলেন সবাইকে। ২০০০ সালের ১৪ জানুয়ারি মুক্তি পেয়েছিল তার ইতিহাস সৃষ্টিকারী প্রথম ছবি 'কহো না পেয়ার হ্যায়'। এর ঠিক আগের সপ্তাহেই [৭ জানুয়ারি] মুক্তি পেয়েছিল আমির খানের 'মেলা'। আর পরের সপ্তাহে [২১ জানুয়ারি] শাহরুখ খানের 'ফির ভি দিল হ্যায় হিন্দুস্তানি'। দুটোই গিয়েছিল ফ্লপের ঘরে। কিন্তু ব্লকবাস্টার হয়েছিল ডুগ্গুর [ঋতি্বকের ডাকনাম] 'কহো না পেয়ার হ্যায়'। ফলে বলিউড সেদিন নতুন সুপারস্টার পেয়েছিল। ২০১২ সালে এসে জানুয়ারিতে আবার ঋতি্বক-বন্দনা। তার 'অগি্নপথ' প্রথম দিনেই ব্যবসা করেছে ২৩ কোটি রুপি। এটা কী করে সম্ভব? ঈদে ছবি মুক্তি দিয়েও সালমান খানের 'বডিগার্ড' প্রথম দিনে আয় করেছিল ২১ কোটি ৬২ লাখ রুপি। দীপাবলিতে 'রা.ওয়ান' দিয়ে শাহরুখ প্রথম দিনে পকেটে ভরেছিলেন ১৮ কোটি ৫০ লাখ রুপি। সেখানে কোনো ধরণের উৎসব ছাড়াই বছরের শুরুতে মানুষ যখন ব্যস্ত সময় পার করে, তখন ছবি মুক্তি দিয়ে ঋতি্বক ইতিহাস গড়লেন। 'অগি্নপথ'-এর অগ্রিম টিকিট বিক্রি দেখেই প্রথম দিনের ব্যবসা যে সাফল্যময় হবে তা ভেবেছিলেন বলিউড বিশ্লেষকরা। কিন্তু সেটা যে ২৩ কোটিতে গিয়ে পেঁৗছবে তা ধারণা করতে পারেনি কেউই। বক্স অফিস বিশেষজ্ঞ তরণ আদর্শ বলেন, 'বছরের শুরুতে কোনো ছবি যে ভালো ব্যবসা করতে পারে, তা ঋতি্বক দেখিয়েছিলেন বারো বছর আগে। আর এক যুগ পর তিনি এমন একটা লক্ষ্যমাত্রা তৈরি করলেন, যা টপকানো বছরের যে কোনো সময়ের জন্যই কঠিন কাজ হবে।'
গত শুক্রবার কর্মব্যস্ত দিনেও ছবিটির আয় ১৮ কোটি রুপি। মোট তিন দিনে এখন পর্যন্ত ছবির আয় দাঁড়িয়েছে ৬৭ কোটি ৫০ লাখ রুপি। ধারণা করা হচ্ছে, এক সপ্তাহে এই ছবির আয় ১০০ কোটি রুপি ছাড়িয়ে যাবে। তাতেই ঋতি্বক ঢুকে পড়বেন খানের রাজ্যে। এই সাফল্যে স্বাভাবিকভাবেই ঋতি্বক বেশ উচ্ছ্বসিত। ভক্তদের উদ্দেশে তিনি বলেছেন, "ধন্যবাদ সাবইকে। এটা ছিল আমার জীবনের সবচেয়ে বেশি পরিশ্রমের ছবি। আমার পরিশ্রমের মূল্য ভক্তকুল দিয়েছে বলে বেশ আনন্দ হচ্ছে। এখন শান্তিতে 'কৃষ' ছবির কাজ চালিয়ে যেতে পারব।"
এদিকে এই সাফল্যে প্রিয়াংকা চোপড়া খুশি হলেও তা উপভোগ করতে পারছেন না। কারণ অনুরাগ বসু পরিচালিত 'বরফি'র কাজ নিয়ে ব্যস্ত ২৯ বছর বয়সী এই অভিনেত্রী। 'আমাদের পরিশ্রম সার্থক। কিন্তু কি করবো, ব্যস্ততা ছাড়ছেই না!'
'অগি্নপথ'-এর সবচেয়ে ভয়ঙ্কর ব্যক্তি কাঞ্চা চিনা চরিত্রের অভিনয়শিল্পী সঞ্জয় দত্ত বলেছেন, 'সবাইকে ধন্যবাদ আমাদের সঙ্গে তিন ঘণ্টা সময় ব্যয় করার জন্য।' মজার বিষয় হলো, এতে সঞ্জুবাবাকে এতটাই ভয়ঙ্কর দেখায় যে, তার যমজ সন্তান ছবিটি দেখার সাহস পাচ্ছে না। পর্দার বাইরে বাবাকে এতটা সহিংস রূপে দেখতে মোটেই অভ্যস্ত নয় তারা। তার স্ত্রী মান্যতা দত্তের খুব ভালো লেগেছে 'অগি্নপথ' ও স্বামী সঞ্জয়ের শিহরণ জাগানো অভিনয়। কিন্তু সঞ্জুবাবা নিজে কিন্তু খুব বেশি সন্তুষ্ট নন। তিনি বলেন, 'চরিত্রটি আরও ভয়ঙ্কর হতে পারতো।' অবশ্য ছবি মুক্তির আগে কাঞ্চা চিনাকে গাব্বার সিংয়ের সঙ্গে তুলনা করেন ঋতি্বক। অনেকের মত, 'খলনায়ক' ছবির পর সঞ্জয় দত্তের এটাই একমাত্র ছবি, যা দেখে মানুষ তাকে মন্দ মানুষ ভাবতে পারে!
ছবিটির আইটেম গান 'চিকনি চামেলি'ও সাড়া জাগিয়েছে। এই গানে ক্যাটরিনা কাইফের নাচের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন হাসির ছবির পরিচালক ডেভিড ধাওয়ান। ১৯৯০ সালে মুক্তি পাওয়া অমিতাভ বচ্চন অভিনীত 'অগি্নপথ'-এর রিমেক এটি। কিন্তু মূল ছবিটি সমালোচকদের প্রশংসা পেলেও বক্স অফিসে মুখ থুবড়ে পড়েছিল। সেদিক থেকেও সফল এই 'অগি্নপথ'। মূল ছবির প্রযোজক ছিলেন করন জোহরের বাবা যশ জোহর। করণ জোহরও ছবির ব্যবসায়িক সাফল্যে উচ্ছ্বসিত। তিনি বলেন, 'আমি দারুণ খুশি। কারণ আমি বাবার স্বপ্নকে সত্যি করতে পেরেছি।' একটি কালজয়ী ছবিকে নতুনভাবে গড়া কঠিন কাজ। পরিচালক করন মালহোত্রা, ঋতি্বক, প্রিয়াংকা ও সঞ্জয় দত্ত মিলে সেই কঠিন কাজই করেছেন। অথচ করনের একটা দুশ্চিন্তা ছিল ছবির দৈর্ঘ্য নিয়ে। 'বডিগার্ড' এবং 'রা.ওয়ান'-এর চেয়ে অনেক লম্বা এটি। এ কারণে সব প্রেক্ষাগৃহে দিনের প্রদর্শনীর সংখ্যা একটি করে কমাতে হয়েছে। তারপরও যে ছবিটি এতটা ব্যবসায়িকভাবে সফল হবে, তা ভাবতেই পারছেন না অনেকে। এ-ও ভাবা হচ্ছে, 'অগি্নপথ'ই ঋতি্বকের বৃহত্তম হিট হতে যাচ্ছে কি-না। এর আগে 'জিন্দেগি না মিলেগি দোবারা' ব্যবসা করেছিল ৯০ কোটি রুপি।
বিজয় দীনানাথ চৌহানের চরিত্রে বিগ বির স্থানে 'অগি্নপথ'-এ ঋতি্বকের অভিনয় নিয়ে এখন তুলনার ঝড় বইছে। অনেকেই বলছেন, ঋতি্বকই এই চরিত্রে ভালো করেছেন। কিন্তু এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, 'বিগ বির সঙ্গে আমাকে তুলনা করা মোটেও ঠিক নয়।
তিনি অনেক উঁচুমাপের অভিনেতা। আমার ইচ্ছা ছিল ছবিটি প্রথমে তাকেই দেখানোর কিন্তু তার ব্যস্ততার কারণে সেটা পারিনি। তবে আশা করব, তিনি ছবিটি দেখবেন এবং পর্যালোচনা করবেন। তার সমালোচনা শোনার জন্য অপেক্ষা করছি।'
এদিকে ২৬ জানুয়ারি মুক্তি পাওয়া 'অগি্নপথ' দেখে বলিউড তারকাদের বেশিরভাগই ফিদা! শিল্পা শেঠি টুইটারে মাত্র দুটি শব্দ লিখেছেন, 'পয়সা উসুল।' তার স্বামী রাজ কুন্দ্রও মুগ্ধ। এ ছাড়া অর্জুন রামপাল, রনবীর সিং, জায়েদ খান, মাধবন, আরবাজ খান, দিনো মোরেয়া, আলী জাফর, পরিচালক কুনাল কোহলিসহ অনেকেই টুইটারে ছবিটির ভূয়সী প্রশংসা করেন। প্রীতি জিনতা তার ব্লগে লিখেছেন, 'দারুণ একটা ছবি দেখলাম অনেকদিন পর। সবচেয়ে মজার কথা বলেছেন গায়িকা শ্রেয়া ঘোষাল। তিনি লিখেছেন_ 'অগি্নপথ' দারুণ একটা মসলা। চালিয়ে যাও!' হ

No comments:

Post a Comment