Saturday, 10 March 2012

‘দ্রাবিড় একজনই’

সংবাদ সম্মেলনে এসেছিলেন দ্রাবিড়পত্নী বিজেতা ও ছেলে সমিত সংবাদ সম্মেলনে এসেছিলেন দ্রাবিড়পত্নী বিজেতা ও ছেলে সমিত
রয়টার্স
শচীন টেন্ডুলকার: রাহুল দ্রাবিড় একজনই। আর কেউ আসবে না। ড্রেসিংরুমে, মাঠে রাহুলের অনুপস্থিতি আমাকে পোড়াবে। জীবনের সেরা মুহূর্তগুলো ওর সঙ্গেই ভাগাভাগি করে নিয়েছি। উইকেটে দুজনের ঘণ্টার পর ঘণ্টা কাটানোর সাক্ষী হয়ে আছে আমাদের অসংখ্য শতরানের জুটি। ১৬৪টি টেস্ট ম্যাচ, ১৩ হাজারের ওপরে রান—এমন কারও জন্য কোনো প্রশংসাই যথেষ্ট নয়।
সুনীল গাভাস্কার: ও ছিল পুরোদস্তুর এক ধ্রুপদি খেলোয়াড়—মাঠে, মাঠের বাইরেও। কাজের প্রতি তাঁর নিষ্ঠা, নিজেকে যেভাবে মেলে ধরেছে, যেভাবে প্রয়োগ করেছে; সবকিছু মিলেই সে তরুণদের জন্য আদর্শ। ভারতীয় ক্রিকেটে এখন একটা শূন্যতা তৈরি হবে। ওর মতো কৌশলগত নৈপুণ্য নিয়ে খেলবে এমন কোনো ক্রিকেটারকে আর পাওয়া যাবে বলে আমার মনে হয় না।
সৌরভ গাঙ্গুলী: এই সিদ্ধান্তে আমি মোটেও অবাক নই। সবকিছু মিলিয়েই ও এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যার মধ্যে আছে দলের পারফরম্যান্সও। ও ছিল খুঁতখুঁতে। সব সময় আরও বেশি নিখুঁত হয়ে ওঠার চেষ্টা করত। খেলাটির প্রতি ওর দৃঢ়প্রতিজ্ঞা, টেকনিক, দায়বদ্ধতা—সবকিছুই ছিল স্পেশাল। আরেকজন রাহুল দ্রাবিড় হয়ে ওঠা সত্যিই কঠিন। রাতারাতি তা হয় না। যেকোনো পেশা থেকেই অবসর নেওয়া সব সময়ই কঠিন। খুবই কষ্ট লাগে। কিন্তু খেলাটায় সময় একটা বড় ব্যাপার। অনেক কিংবদন্তিকেই বিদায় নিতে হয়েছে। পেলে-ম্যারাডোনা নিয়েছেন, ফেদেরারকেও নিতে হবে।
অনিল কুম্বলে: তোমার সঙ্গে খেলা প্রতিটি মুহূর্ত উপভোগ করেছি। এটা ছিল বিরাট সম্মানেরও। ও সেই বিরল প্রতিভাধরদের একজন, যাদের মধ্যে অনন্যসাধারণ প্রতিভা আর দায়বদ্ধতা দুটিই ছিল। দীর্ঘ সময়ের জন্য মনোযোগ ধরে রাখার ক্ষমতা ওর মতো আর কারও নেই। ও এমন একজন, যে সব সময় আরও নিখুঁত হয়ে ওঠার চেষ্টা করত। ক্রিকেটের সত্যিকারের এক দূত তুমি, আদর্শ দল-অন্তঃপ্রাণ।
শেন ওয়ার্ন: অবসর নেওয়ায় আমার বন্ধু রাহুল দ্রাবিড় আর তার পরিবারকে শুভেচ্ছা জানাই। ওর প্রতি আমার পূর্ণ শ্রদ্ধা আছে।
জ্যাক ক্যালিস: আমাদের মধ্যে সব সময় একটা ইতিবাচক দ্বৈরথ ছিল। ও খুবই চুপচাপ ধরনের, বিনয়ী। আইপিএলে ওর সঙ্গে খেলার সৌভাগ্য হয়েছিল আমার। ও এমন একজন খেলোয়াড় ছিল, সব সময় নিজের খেলাকে শাণিয়ে নিতে কঠোর পরিশ্রম করত। ক্রিকেটে ওর অর্জন অবিশ্বাস্য। ক্রিকেটে টেকনিকের দিক দিয়ে সেরা ব্যাটসম্যানদের অন্যতম ছিল ও। ওর উইকেট পাওয়াও তাই ছিল একটা পুরস্কার। ওকে ছাড়া ক্রিকেট একটু রং হারাবে।
বীরেন্দর শেবাগ: জ্যাম (দ্রাবিড়ের ডাকনাম), তোমার সঙ্গে খেলতে পারাটা ছিল একই সঙ্গে তৃপ্তি আর গর্বের। ড্রেসিংরুমে তোমার উপস্থিতি সব সময়ই আমাদের বাড়তি আত্মবিশ্বাস এনে দিত। তোমাকে অনেক বেশি মিস করব।
কেভিন পিটারসেন: রাহুল দ্রাবিড়—কিংবদন্তি!! সরল, সাধারণ...অবিশ্বাস্য এক ক্যারিয়ারের জন্য তোমাকে অভিনন্দন!! ভারত অবশ্যই ‘দ্য ওয়াল’-এর শূন্যতা অনুভব করবে।
ক্রিস গেইল: দুর্দান্ত, অসাধারণ আন্তর্জাতিক এক ক্যারিয়ারের জন্য তোমাকে অভিনন্দন! দ্য গ্রেট লিজেন্ড রাহুল দ্রাবিড়!! দ্য ওয়ালকে অবশ্যই আমরা মিস করব!!
হরভজন সিং: পরশুর আগের দিন ও আমাকে ফোন করে জানাল এই সিদ্ধান্তের কথা। ওকে শুভকামনা জানিয়েছি। সবাই জানে ও ক্রিকেটের এক কিংবদন্তি। ও ছিল প্রেরণার অন্তহীন উৎসও। ও যেভাবে প্রতিটি টেস্ট ম্যাচের জন্য নিজেকে তৈরি করত, আমরা সবাই সেটা দেখতাম। আমাদের সবার জন্য সেটা ছিল শিক্ষণীয়।

টেস্টে তাঁর কীর্তি
 দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান, ৫২.৩১ গড়ে ১৩২৮৮ ও চতুর্থ সর্বোচ্চ সেঞ্চুরি, ৩৬টি
 সবচেয়ে বেশি বল খেলা ব্যাটসম্যান, ৩১২৫৮
 সব দেশের বিপক্ষে সেঞ্চুরি করা প্রথম ব্যাটসম্যান
 ৩ নম্বরে ১০ হাজার রান করা একমাত্র ব্যাটসম্যান
 দুই শ ক্যাচ নেওয়া একমাত্র ফিল্ডার (২১০)
 চতুর্থ ইনিংসে সর্বোচ্চ রান, ১৫৭৫
 দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ফিফটি (৬৩) ও দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বাউন্ডারি (১৬৫৪)
 সফলতম টেস্ট জুটির অংশীদার, শচীন টেন্ডুলকারের সঙ্গে ৬৯২০ রান
 সবচেয়ে বেশি সেঞ্চুরি জুটির অংশীদার, ৮৮টি
 একজনের সঙ্গে সর্বোচ্চ সেঞ্চুরি জুটির অংশীদার, টেন্ডুলকারের সঙ্গে ২০টি
 টানা ১৫ পঞ্জিকাবর্ষে সেঞ্চুরি করা দ্বিতীয় ব্যাটসম্যান, প্রথম জ্যাক ক্যালিস
 বিদেশের মাটিতে সবচেয়ে বেশিবার ম্যাচসেরা হওয়া ভারতীয় (৮)
 সবচেয়ে বেশিবার (১০) নড়বড়ে নব্বইয়ে আটকা পড়া ব্যাটসম্যান, যৌথভাবে টেন্ডুলকার ও স্টিভ ওয়াহর সঙ্গে

Sunday, 4 March 2012

টাস্কবারে ব্যক্তিগত নাম লেখা

টাস্কবারে ব্যক্তিগত নাম লেখা
টাস্কবারে সময়ের পাশে নিজের নাম লেখার জন্য Start “ Control Panel “ Regional and language options “ Customize “ Time ক্লিক “ এরপর AM ও PM-এর পাশে নিজের নাম লিখুন। শেষে Apply “ Ok (দুবার)। টাস্কবারে ঘড়ির পাশে নাম দেখাবে।
নাম বাতিল বা মুছে দেওয়ার জন্য একই নিয়মে গিয়ে AM ও PM-এর পাশে লেখা নাম মুছে দিয়ে Apply “ Ok (দুবার) করুন।
মো. শফিকুর রহমান

Saturday, 3 March 2012

ভাইরাস থেকে বাঁচতে

কম্পিউটার ব্যবহারকারীদের জন্যআতঙ্কের নাম ভাইরাস এবং ওয়ার্ম। নানা উৎস থেকে কম্পিউটারে ছড়িয়ে পড়ে এই ভাইরাস। ভাইরাসের সংক্রমণ হতে পারে পেনড্রাইভ, ডিস্ক, মেমোরি কার্ডসহ বিভিন্ন যন্ত্রাংশের মাধ্যমে। আর ইন্টারনেট থেকেও কম্পিউটারে ছড়িয়ে পড়তে পারে ভাইরাস।
ভাইরাস থেকে মুক্তি পাওয়ার সবচেয়ে ভালো উপায় হচ্ছে, মানসম্মত হালনাগাদ অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করা। অ্যান্টিভাইরাস থাকার পরও কিছু বিষয়ে সতর্কথাকা জরুরি।এর একটা হচ্ছে অটোরান সুবিধা বন্ধ করে দেওয়া। সাধারণত বাইরের যন্ত্রাংশ (এক্সটারনাল ডিভাইস) থেকে কম্পিউটারে ভাইরাস ঢোকার হার বেশি। এসব যন্ত্রাংশেভাইরাস বা ওয়ার্মথাকলে যন্ত্রাংশটি কম্পিউটার চলা শুরু হলেই ভাইরাস কার্যকর হয়ে ওঠে। এসব যন্ত্র সরাসরি না চালানো ভালো।তাই অটোরান বন্ধ রাখতে হবে।
অটোরান বন্ধ করতে উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমে Start\Run-এ গিয়ে gpedit.msc লিখে OK করুন। এবার নতুন উইন্ডো আসবে। এখান থেকে computer configuration নির্বাচন করুন। এরপর Administrative Templates\System-এ যান। এবার Turn off Autoplay-এ দুই ক্লিক করুন। এরপর ‘Turn off Autoplay’ সক্রিয় করতে হবে এবং ‘Turn off autoplay on’ বক্স থেকে ‘All drives’ নির্বাচন করতে হবে। এবার OK করলেই কম্পিউটারের সব ধরনের যন্ত্রের অটোরান বন্ধ হয়ে যাবে। ফলে কোনো পেনড্রাইভ বা অন্য যন্ত্র কম্পিউটারে লাগালেই সেটির ফাইলগুলো খুলবে না এবং ভাইরাসগুলো আক্রমণ করতে পারবে না।
অনেক সময় এক্সটারনাল ড্রাইভগুলো থেকে কম্পিউটারে তথ্য স্থানান্তরের সময়েও ভাইরাস ঢুকে পড়তে পারে। তাই ড্রাইভগুলো না খুলেই তথ্য আদান-প্রদান করার ব্যবস্থা করতে হবে। আর এর জন্য রয়েছে কিছু সফটওয়্যার। ভাইরাস ছড়ায় এমন ফাইলের বড় একটি অংশে .exe এক্সটেনশন থাকে।তাই পরিচিত ও গ্রহণযোগ্য উৎস না হলে .exe এক্সটেনশনের ফাইল কম্পিউটারে না নেওয়াই ভালো।
—মাসুদ, বালিয়াকান্দি (রাজবাড়ী)