Tuesday, 31 January 2012

‘বিশ্বকাপের পরই শচীনের অবসরে যাওয়া উচিত ছিল’

ইমরান খান ক্রিকেটকে বিদায় জানিয়েছিলেন দেশকে বিশ্বকাপ জিতিয়েই। ১৯৯২ সালের বিশ্বকাপের ফাইনালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সেই ম্যাচটিই ছিল ইমরান খানের শেষ ক্রিকেট ম্যাচ। এরপর আর একদিনের জন্যও ক্রিকেট ব্যাট-বল ছুঁয়ে দেখেননি তিনি।
শচীন টেন্ডুলকারেরও এমনই করা উচিত ছিল বলে মনে করেন সেই ইমরান খান। তাঁর মতে, ভারত যেদিন বিশ্বকাপ জিতল, সেদিনই শচীনের ক্রিকেটকে ‘বিদায়’ বলে দেওয়া উচিত ছিল।
একজন ক্রিকেটার কখন ক্রিকেটকে বিদায় জানাবে, সেই সিদ্ধান্ত একান্তই তাঁর নিজের বলে বর্ণনা করলেও সেই সিদ্ধান্তটি সঠিক সময়ে নেওয়াটা জরুরি বলে মত দিয়েছেন এই ক্রিকেট গ্রেট।
ইমরান খান বলেন, শচীন বিশ্বকাপে অসাধারণ খেলেছিল। ভারতের বিশ্বকাপ জয়ে ওর অবদান অস্বীকার করা যায় না। শচীনের উচিত ছিল ক্রিকেটকে বিদায় জানানোর জন্য ওই সময়টাকেই বেছে নেওয়া। বিশ্বকাপ জয়ের চেয়ে বড় অর্জন একজন ক্রিকেটারের ক্যারিয়ারে আর কী হতে পারে? শচীনের উচিত হয়নি, ওর গ্রেট ক্যারিয়ারটা ইংল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দুটো ৪-০ হোয়াইটওয়াশের মধ্যে ফেলে দেওয়া।
দীর্ঘদিন ক্রিকেট খেলে বিদায় বেলার সিদ্ধান্তটা ঠিকমতো নেওয়াকে চ্যালেঞ্জই মানেন ইমরান খান। অনেক ভালো ক্রিকেটারই অতীতে অবসরের সিদ্ধান্ত ঠিকমতো নিতে ব্যর্থ হয়েছেন।
শচীন টেন্ডুলকার শততম আন্তর্জাতিক সেঞ্চুরিটি পেতে গিয়েও পাচ্ছেন না—ব্যাপারটি নিয়ে একেবারেই মাথাব্যথা নেই ইমরান খানের। তিনি বলেন, একজন গ্রেট খেলোয়াড়ের পরিসংখ্যান কোনো কিছু নির্দেশ করে না। শচীন একজন গ্রেট ব্যাপারটি অনেক আগেই প্রতিষ্ঠিত। সে ১০০টি আন্তর্জাতিক সেঞ্চুরি করতে পারল কি পারল না, এতে কিছুই প্রমাণিত হয় না। পিটিআই।

No comments:

Post a Comment