Saturday, 4 February 2012

পাবলিক কোম্পানি হিসেবে যাত্রা শুরু করল ফেসবুক

ব্যক্তিমালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান থেকে সামাজিক যোগাযোগের ওয়েবসাইট ফেসবুক এখন পাবলিক কোম্পানি। ফেসবুক শেয়ারবাজারে আসছে এ খবর আগেই প্রচারিত হয়েছিল। ১ ফেব্রুয়ারি বুধবার এ-সংক্রান্ত আনুষ্ঠানিকতা সেরে ফেলেছে প্রতিষ্ঠানটি। তবে এক হাজার কোটি ডলার মূল্যের আইপিও ছাড়ার কথা থাকলেও শুরুতে ৫০০ কোটি ডলার মূল্যের আইপিওর জন্য আবেদন করছে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ। শেয়ারবাজারে আইপিও ছেড়ে সিলিকন ভ্যালির অন্যতম পাবলিক কোম্পানি হিসেবে নাম লিখিয়েছে ফেসবুক।
ফেসবুকের শেয়ার আইপিওর বুকরানার হিসেবে মর্গান স্ট্যানলি ছাড়াও আরও চারটি প্রতিষ্ঠান দায়িত্ব পেয়েছে বলেই জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স । প্রতিষ্ঠান চারটি হচ্ছে—গোল্ডম্যান স্যাচ, ব্যাংক অব আমেরিকা মেরিল লিঞ্চ, বারক্লেইস ক্যাপিটাল এবং জেপি মরগ্যান।
মোট ২০৯ পাতার আবেদনটির ৪৫ নম্বর পাতায় জাকারবার্গ কত শেয়ার কিনতে পারবেন, সে তথ্য জানানো হয়েছে। জাকারবার্গ বি শ্রেণীর ১২ কোটি শেয়ার কিনতে পারবেন, তবে পাবলিক স্টকে যাওয়ার পরই তা প্রথম শ্রেণীর হয়ে যাবে। ৪৯ পাতায় ৩১ ডিসেম্বর ২০১১ সালের দাম অনুসারে ফেসবুকের বি শ্রেণীর শেয়ার মূল্য হচ্ছে .৮৩ ডলার।
হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটির ডরমেটরিতে ২০০৪ সালে মার্ক জাকারবার্গ ফেসবুক নামের একটি ওয়েবসাইট তৈরি করেছিলেন। ক্ষুদ্র সে প্রচেষ্টাই আজ আইপিও ছাড়ার পর পৃথিবীর সেরা ১০টি তথ্যপ্রযুক্তিভিত্তিক পাবলিক কোম্পানির একটিতে পরিণত হচ্ছে বলেই বিশ্লেষকেরা ধারণা করছেন। ম্যাকডোনাল্ডস, ক্রপ, আমাজন ডট কম, ভিসা ইনকরপোরেটেড এবং ব্যাংক অব আমেরিকার মতো শীর্ষস্থানীয় মার্কিন পাবলিক কোম্পানিগুলোর মতই ফেসবুক একটি নামকরা পাবলিক প্রতিষ্ঠানে পরিণত হবে—এমনটাই আশা করছেন বিশ্লেষকরা। মার্ক জাকারবার্গকেও পরবর্তী সময়ের বিল গেটস এবং স্টিভ জবস ভাবছেন তাঁরা।
বিনিয়োগকারীদের কাছে একটি চিঠিতে জাকারবার্গ ফেসবুক তৈরির উদ্দেশ্য, সম্ভাবনা ও করণীয় বিষয়ে বিশদ লিখেছেন। তাঁর চিঠির মূল বক্তব্য হচ্ছে, তিনি একটি সামাজিক উদ্দেশ্য নিয়ে নেমেছেন, যাতে বিশ্বকে আরও বেশি মুক্ত এবং যুক্ত রাখা যায়।
উল্লেখ্য, ফেসবুকে মোট সাড়ে ৮৪ কোটি ব্যবহারকারী রয়েছেন বলেই আইপিও আবেদনে উল্লেখ করেছে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ।

No comments:

Post a Comment